Home » অনশনে বসলেই মেলে দলের নিবন্ধন

অনশনে বসলেই মেলে দলের নিবন্ধন

কর্তৃক ajkermeherpur
44 ভিউজ

স্বনির্ভর অর্থনীতি ও সুশাসনে সমৃদ্ধি’ স্লোগানটি তারেক রহমানের আম জনতার দলের। স্লোগানের প্রথম শব্দের সঙ্গে দলটির কোনো মিল লক্ষ্য করা যায়নি। কেননা, স্বনির্ভর অর্থনীতির কথা বললেও এই দলটির নেতা তারেক প্রতিনিয়তই দল পরিচালনা করতে তার ফেসবুকের মাধ্যমে বিকাশে টাকা চেয়ে থাকেন সাধারণ মানুষের কাছে।শুধু এসবেই থেমে নেই বিতর্কিত এই তথাকথিত নেতা। সব সময় যেন নিজেকে আলোচনায় রাখতে পছন্দ করেন তারেক রহমান। সব শেষ, তার দলের নিবন্ধন নিতে ইসির সামনে অনশনে বসেছিলেন তিনি। তবে, সেটি ছিল নামমাত্র অনশন এবং সম্পূর্ণ নাটক। ইসির নিবন্ধন পেতেই এমন নাটক করেছেন বলছেন অনেকেই।তবে, এসব বিষয়ে একটা জিনিস পরিষ্কার যে, বাংলাদেশের রাজনীতি মঞ্চনাটকের মতো। হঠাৎ বিচিত্র সব ইস্যু এসে জনসাধারণের মনোযোগ কেড়ে নেয়। যেমন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনীতির গরম হাওয়ার মধ্যেই মিডিয়ায় জায়গা করে নিয়েছে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের দাবিতে অনশনের ইস্যু। অনশনে কি নিবন্ধনও মেলে?টানা ১২৫ ঘণ্টা নাটকের পর নিবন্ধন পেয়েছে তারেকের আম জনতার দল। সঙ্গে দেওয়া হয়েছে জনতার দল নামের আরেক দলের নিবন্ধনও। এ যেন, অনশন করলেই মেলে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন।

অভিযোগ রয়েছে, বিধি ভেঙে আম জনতা ও জনতার দলের নিবন্ধন দিয়েছে ইসি। শনিবার অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা পোস্টের এক সংবাদে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আবেদন চূড়ান্তভাবে নামঞ্জুর করার পরও সাতটি দলের আবেদন পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে আইন এবং বিধিমালার যথাযথ প্রয়োগ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।করেনি।

আবার, দলের নামে ব্যাংক হিসাবসংক্রান্ত তথ্য ও তহবিলের উৎসের বিবরণ জমা দেওয়া হয়নি। নিবন্ধনের আবেদন দাখিলের জন্য দল কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতাপত্র সংযুক্ত করা হয়নি। গঠনতন্ত্রে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্যপদ সংরক্ষণের বিধান রাখা হয়নি। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পেশাজীবী ও শ্রমিকদের সমন্বয়ে কোনো সহযোগী বা অঙ্গ সংগঠন না থাকার বিধানও গঠনতন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এছাড়া, দলটি সংবিধান পরিপন্থী কোনো কার্যক্রমে জড়িত নয় এবং দলে দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি নেই— এ মর্মে দলের প্রধানের ইস্যুকৃত প্রত্যয়নপত্রও দাখিল করা হয়নি।

এত ত্রুটি থাকার পরও নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে তারেক রহমানের আম জনতার দলকে। অন্যদিকে, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলেও এবং ইসির যাচাই-বাছাইয়ে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হলেও বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টির নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় আটকে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইসির মনগড়া এমন সিদ্ধান্তে নানা মহলে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই বলছে, কোনো এক অজানা চাপে আম জনতার দলকে নিবন্ধন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন বা ইসি।

০ মন্তব্য

You may also like

মতামত দিন