Home » মেহেরপুরে ইয়াবার টাকার বিরোধে সংঘর্ষ, অপহরণ; গ্রেপ্তার-৫, পলাতক-১।

মেহেরপুরে ইয়াবার টাকার বিরোধে সংঘর্ষ, অপহরণ; গ্রেপ্তার-৫, পলাতক-১।

কর্তৃক ajkermeherpur
90 ভিউজ

মেহেরপুরে ইয়াবার টাকার বিরোধে সংঘর্ষ, অপহরণ; গ্রেপ্তার-৫, পলাতক-১।

নিজস্ব প্রতিনিধি

মেহেরপুরে পূর্ব বিরোধের জেরে পথরোধ করে মারধর ও অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও সদর থানা পুলিশের যৌথ একটি দল। পলাতক রয়েছে আরও একজন। এ ঘটনাই ভুক্তভোগী মিয়ারুল ইসলাম বাদী হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন। মেহেরপুর সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে মামলার বাদী ও অপহরণের শিকার মিয়ারুল ইসলাম ও তার পরিচিত গোবিপুর গ্রামের বাসার মেম্বারের ছেলে হৃদয় (৩৫) মোটরসাইকে মেহেরপুর শহরের সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় আসামিরা লাঠিসোটা নিয়ে তাদের পথরোধ করে।
এসময় পলাতক আসামী হাসিবুল ইসলামের সঙ্গে হৃদয়ের পূর্বের লেনদেনের বিষয় নিয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। বাদী প্রতিবাদ করলে আসামিরা তাদের ওপর চড়াও হয়ে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারতে থাকে। একপর্যায়ে হৃদয় দৌড়ে পালিয়ে গেলেও বাদীকে আটক করে লাঠিসোটা দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়।
পরে, জোরপূর্বক সাগর হোসেনের ইজিবাইকে তুলে তাকে অপহরণ করে মেহেরপুর সদর উপজেলার ফুলবাগান পাড়ার ক্রিসেন্ট ক্লাবে নিয়ে আটকে রাখা হয়।
খবর পেয়ে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে মেহেরপুর ডিবি পুলিশ ও সদর থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে ক্রিসেন্ট ক্লাব থেকে অপহৃত মিয়ারুল ইসলামকে উদ্ধার করে এবং ঘটনাস্থল ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে। তবে অভিযানের সময় পলাতক আসামী হাসিবুল ইসলাম কৌশলে পালিয়ে যায়।
অপহরণের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত এবং অপরের মামলার আসামিরা হলেন, মুখার্জিপাড়ার সেলিম রেজার ছেলে রোহান হোসেন রিয়াদ (২৩), রিপন আলীর ছেলে আব্দুর রহিম (১৯ ও হাফিজুল ইসলামের ছেলে তাজ হোসেন (২৪), ফুলবাগান পাড়ার শফিকুল ইসলামের ছেলে সাগর হোসেন (২৪) এবং তাতিপাড়ার মহসিন শেখের ছেলে মাহফুজুর রহমান (১৯) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জন।
অপর আসামি ফুলবাগান পাড়ার হাসেম আলীর ছেলে হাসিবুল ইসলাম (২০) কৌশলে পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, ‘প্রাথমিক অনুসন্ধানে পূর্বের টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং পলাতক আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এছাড়াও এ ঘটনায় মিয়ারুল ইসলাম বাদী হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।’
তবে অভিযোগ ও প্রতিবেদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইয়াবা কেনার জন্য পূর্বে লেনদেনকৃত টাকা আত্মসাৎকে কেন্দ্র করে এই বিরোধের সূত্রপাত। আর তারই জের ধরেই সংঘর্ষ ও অপহরণের ঘটনা ঘটে।

০ মন্তব্য

You may also like

মতামত দিন