বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে যুক্তরাজ্যে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সর্বশেষ দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দেশে ফেরার আগে শেষবারের মতো আনুষ্টানিকভাবে লন্ডনের মঞ্চে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন তিনি।
যুক্তরাজ্য বিএনপির সহ দফতর সম্পাদক সেলিম আহমদ রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকালে জানান, যুক্তরাজ্য বিএনপির উদ্যোগে বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তারেক রহমান। ১৬ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) বিকাল ৫টায় লন্ডনের সিটি প্যাভিলিয়নে এ অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়েছে।জানা গেছে, ১৬ ডিসেম্বর এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব ও পরিচালনা করতে রবিবারই বাংলাদেশ থেকে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম. এ. মালিক ও সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম. আহমেদ।
যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ জানান, যুক্তরাজ্য বিএনপির পূর্ব নির্ধারিত এ কর্মসূচি ছিল সোমবার। তারেক রহমান সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে সময় দিতে সম্মত হওয়ায় আমরা মঙ্গলবার বড় হলে অনুষ্টানের আয়োজন করেছি।জানা গেছে, এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্যে দলীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে আনুষ্টানিকভাবে বিদায় নেবেন তারেক রহমান। সময় স্বল্পতার কারণে কমিউনিটি ও সুধীজনদের সঙ্গে আলাদা কোনও অনুষ্ঠান হবে না।
তারেক রহমানের দেশে ফেরার সবশেষ প্রস্তুতি
যুক্তরাজ্য থেকে তারেক রহমানের দেশে ফেরার তারিখ যখন তিনি চূড়ান্ত করেন তখন তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ছিলেন শাশুড়ি বেগম খালেদা জিয়ার শয্যাপাশে বাংলাদেশে।
ডা. জোবাইদা রহমানও তার ব্যবহৃত জিনিসপত্র নিতে ২৪ ডিসেম্বরের আগেই লন্ডনে ফিরে তারেক রহমানের সঙ্গে দেশে ফিরতে পারেন। এছাড়া তাদের কন্যা ডা. জাইমা রহমান তারেক রহমানের সঙ্গে দেশে ফিরবেন এটা নিশ্চিত।
তারেক রহমানের পরিবারের সদস্যদের বাইরে সফরসঙ্গী হিসেবে দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্যে দলের প্রবীণতম নেতা মাহিদুর রহমান, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, তারেক রহমানের একান্ত সচিব আব্দুর রহমান সানি, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ইউরোপের সমন্বয়ক কামাল উদ্দীন, বিএনপির মিডিয়া টিমের সিনিয়র সদস্য সালেহ শিবলী দেশে ফিরছেন। এছাড়া দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য বা সিনিয়র নেতারাও তারেক রহমানকে নিতে ও তার সহযাত্রী হতে লন্ডনে আসতে পারেন।
