Home » ড. ইউনূস বলেন, ‘আমার কণ্ঠ দমন করা হয়েছে’: রয়টার্সকে রাষ্ট্রপতি

ড. ইউনূস বলেন, ‘আমার কণ্ঠ দমন করা হয়েছে’: রয়টার্সকে রাষ্ট্রপতি

কর্তৃক ajkermeherpur
64 ভিউজ

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ‘তার কণ্ঠ দমন করা হয়েছে’—রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি নিজেকে অপমানিত মনে করছেন এবং ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই পদত্যাগের ইচ্ছা পোষণ করছেন।

রয়টার্স জানায়, দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হলেও রাষ্ট্রপতির কার্যনির্বাহী ক্ষমতা সাধারণত প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার হাতে থাকে। তবে ২০২৪ সালে শিক্ষার্থীদের গণ-অভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগে বাধ্য হলে এবং সংসদ ভেঙে গেলে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।৭৫ বছর বয়সী সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। কিন্তু আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ঢাকা থেকে হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেন, “আমি চলে যেতে আগ্রহী। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করা আমার কর্তব্য, কিন্তু সাংবিধানিক অবস্থানই আমাকে এখানে ধরে রেখেছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস প্রায় সাত মাস ধরে তার সঙ্গে কোনো বৈঠক করেননি। তার প্রেস বিভাগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং সেপ্টেম্বরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাসগুলো থেকেও রাষ্ট্রপতির ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির ভাষায়, “এক রাতের মধ্যে সব দূতাবাস থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরানো হলো—এতে ভুল বার্তা যায় যে রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে দেওয়া হবে। আমি অত্যন্ত অপমানিত বোধ করেছি।” তিনি জানান, এ বিষয়ে ড. ইউনূসকে লিখিতভাবে জানানোর পরও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। “আমার কণ্ঠ দমন করা হয়েছে”—বলেই তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি আরও জানান, তিনি নিয়মিত সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, এবং জেনারেল জামান তাকে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে ক্ষমতা দখলের কোনো অভিপ্রায় তার নেই।

০ মন্তব্য

You may also like

মতামত দিন