Home » মেহেরপুর হাসপাতালে এমপির পরিদর্শনে বিএনপি-জামায়াতের উত্তেজনা

মেহেরপুর হাসপাতালে এমপির পরিদর্শনে বিএনপি-জামায়াতের উত্তেজনা

কর্তৃক xVS2UqarHx07
22 ভিউজ

মেহেরপুর হাসপাতালে এমপির পরিদর্শনে বিএনপি-জামায়াতের উত্তেজনা

 

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খানের পরিদর্শনকালে দ্বন্দ্বে জড়ালেন বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা। আজ বুধবার (১২ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ১১ টার সময় এমপি ও তার কর্মী সমর্থকরা পরিদর্শনে যান হাসপাতালে। এ সময় সংসদ সদস্য লাঞ্চিত হন বলে অভিযোগ করেন জামায়াত নেতারা। তবে বিএনপির নেতাদের দাবি, তাদের এক কর্মীকে মারধরের কারণে এ পরিস্থতির সৃষ্টি হয়েছে।

 

পুলিশ জানায়, সকালে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্যসহ জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা হাসপাতাল পরিদর্শনে যান। এ সময় ডাঃ বেলাল হোসেনের কক্ষে যান তারা। কক্ষটি ফাঁকা ছিলো। অথচ হাজিরা খাতায় সাক্ষ্যর করেন তিনি। এ সময় হাসপাতাল কতৃপক্ষকে কারণ দর্শণোর দেওয়ার নির্দেশ দেন সংসদ সদস্য।

 

পরে নতুন ভবনের প্যাথলজি বিভাগে যান তারা। হাসপাতালের আইডি কার্ড বিহীন একজনকে দেখতে পান। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হাসপাতালের স্টাফের একটি আইডি কার্ড দেখান তিনি। ঐ আইডিকার্ডটি হাসপাতাল কতৃপক্ষকে দেখালে আইডি কার্ডটি ভূয়া বলে চিহ্নিত করে। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন এক জামায়াত কর্মী। শুরু হয় জামায়াত বিএনপির মধ্যে উত্তেজনা। পরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সংসদ সদস্য ও তার কর্মী-সমর্থকরা যান ওজোপাডিকো অফিসে। সেখানে তাদের বাইরে থেকে অবুরুদ্ধ করে রাখেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা বলে অভিযোগ করেন জামায়াত নেতারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফয়েজ মোহাম্মদ ও সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম। আসেন সদর থানা পুলিশের একটি দল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পর সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের বের করেন কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাদের পার করে দেন পুলিশ ও বিএনপি নেতারা।

 

জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হুছাইন বলেন, হাসপাতাল দালাল মুক্ত করার জন্যই পরিদর্শণে যান সংসদ সদস্য। সেখানে বিএনপি কর্মী-সমর্থকরা এক অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির সৃস্টি করে বলে অভিযোগ করেন। সৃষ্টি হয় হয় উত্তেজনা। এতে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ব্যহত হয়। উভয় দলের নেতারা বসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে হাসপাতাল থেকে যে কোন মূল্যে দালাল মুক্ত করার হুশিয়ারি দেন তিনি। সেখানে বিএনপি কর্মী সমর্থকরা মবের সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম বলেন, সেখানে কোন মবের সৃষ্টি হয়নি। জামায়াত নেতা-কর্মীরা আইন নিজের হাতে তুলে নেন। মারধর করে একজনকে। এজন্যই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিলো। তবে বিএনপি নেতাদের দুরদর্শিতায় পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে আসে। অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির জন্য জামায়াতের কর্মী-সমর্থককে দায়ি করেন তিনি। তবে যে কোন মূল্যে হাসপাতালে দালাল মুক্ত করা হবেও বলেও জামায়াতের সাথে একই সূরে কথা বলেন এই নেতা।

মেহেরপুর সদর থানার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ন কবীর বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হাসপাতালে সকল কার্যক্রমও স্বাভাবিক ভাবে চলছে।

০ মন্তব্য

You may also like

মতামত দিন