Home » মেহেরপুরে ফেনসিডিল মামলায় দুই ভাইয়ের কারাদণ্ড, একজন খালাস

মেহেরপুরে ফেনসিডিল মামলায় দুই ভাইয়ের কারাদণ্ড, একজন খালাস

কর্তৃক xVS2UqarHx07
100 ভিউজ

Meherpur News

বর্তমান পরিপ্রেক্ষিত

সারাদেশ

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক

শিক্ষা ও সংস্কৃতি

খেলাধুলা

স্বাস্থ্য

আইন-আদালত

রুপচর্চা

বুধবার, ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১১ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

নিউজ খুঁজুন…

Meherpur News

আরও দেখুন

Politics

Local News

Banner১৬ বছরে মেহেরপুর নিউজ

সব

মূলপাতা বর্তমান পরিপ্রেক্ষিত মেহেরপুরে ফেনসিডিল মামলায় দুই ভাইয়ের কারাদণ্ড, একজন খালাস

বর্তমান পরিপ্রেক্ষিত

মেহেরপুরে ফেনসিডিল মামলায় দুই ভাইয়ের কারাদণ্ড, একজন খালাস

এপ্রিল ২৯, ২০২৬ ৮:০৩ অপরাহ্ণ

 

মেহেরপুর নিউজ:

 

আরও দেখুন

Newspapers

Politics

Local News

মেহেরপুরে ফেনসিডিল রাখার অভিযোগে মকর আলী নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় তার ভাই শুকুর আলীকে ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার বিকেলে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ গোলাম কবির এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত মকর আলী মেহেরপুর সদর উপজেলার শালিকা গ্রামের মনসুর আলীর ছেলে। অপর দণ্ডপ্রাপ্ত শুকুর আলী তার ভাই। তবে একই মামলায় সাইফুল ইসলাম নামে আরেক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৯ এপ্রিল দুপুরে মেহেরপুর সদর থানার পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শালিকা গ্রামে অভিযান চালায়। এসময় মকর আলীর কাছ থেকে ১২০ বোতল এবং শুকুর আলীর কাছ থেকে ৭০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণী ১৪(গ)/৪১ ধারায় মেহেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। যার সেশন নম্বর ১১৭/২৪ এবং জি.আর নং ৪২১/২০২৩ (সদর)।

তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় মোট ৭ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই আদালত এ রায় প্রদান করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর ছিলেন নজরুল ইসলাম। আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান কৌশলী। খালাসপ্রাপ্ত আসামির পক্ষে আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট মীর আলমগীর ইকবাল ও এস.এম. আমানুল্লাহ আল আমান।

০ মন্তব্য

You may also like

মতামত দিন